রাজশাহী মহানগরীতে আরএমপি’র বিশেষ টিমের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ডাকাতির কাজে ব্যাবহারের জন্য দেশীয় অস্ত্র চাকু, হাসুয়া, চেইন রিং গিয়ার উদ্ধার ও ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে রাজপাড়া থানার বহরমপুর শেষমাথা গ্রাে হতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর শেষমাথা গ্রামের মো: নুরুল ইসলাম চাঁনের ছেলে মো: সালমান (২৩); নতুন বিলসিমলা গ্রামের মো: মুনিরের ছেলে মো: বাঁধন ওরফে নুর (২৪); চাঁন মিয়ার ছেলে মো: বিদ্যুৎ (২১); শাহিনের ছেলে মো: আব্দুর রহিম (২২) ও নাহিদ আহামেদের ছেলে মো: নাইম আহাম্মেদ (২৪)।
মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে রাজপাড়া থানার শেষমাথা গ্রামে কয়েকজন দুস্কৃতিকারী দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। আরএমপি’র বিশেষ টিম তৎক্ষণাৎ ঐ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করলে অপরাধীরা দৌড়ে রাজপাড়া থানার বহরমপুর শেষমাথা গ্রামের মো: সালমানের বসতবাড়ির ছাদে গিয়ে লুকানোর চেষ্টা করে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনসহ ঐ ছাদ ঘেরাও করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আলামিন (২৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন কৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় সালমানের হেফাজত থেকে ১৫ ইঞ্চি লম্বা ১টি লোহার তৈরি চাকু, বাঁধনের হেফাজত থেকে ২৮ ইঞ্চি লম্বা হাসুয়া উদ্ধার ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎের হেফাজত থেকে ২৪ ইঞ্চি লম্বা চেইন রিং গিয়ার; আ: রহিমের হেফাজত থেকে ১৯ ইঞ্চি লম্বা চেইন রিং গিয়ার ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি নাইমের হেফাজত থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একইসাথে পলাতক আসামি আলামিনের ফেলে যাওয়া ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্যে যে গ্রেপ্তারকৃত আসামি সালমানের বিরুদ্ধে আরএমপি’র রাজপাড়া থানায় ৩টি মাদক, ১টি পেনাল কোড ও ১টি দ্রুত বিচার আইনে মামলা রয়েছে। এছাড়া আসামি বিদ্যুৎের বিরুদ্ধে দামকুড়া ও শাহমখদুম থানায় পৃথক ২টি জিআর মামলা রয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে রাজপাড়া থানার বহরমপুর শেষমাথা গ্রাে হতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর শেষমাথা গ্রামের মো: নুরুল ইসলাম চাঁনের ছেলে মো: সালমান (২৩); নতুন বিলসিমলা গ্রামের মো: মুনিরের ছেলে মো: বাঁধন ওরফে নুর (২৪); চাঁন মিয়ার ছেলে মো: বিদ্যুৎ (২১); শাহিনের ছেলে মো: আব্দুর রহিম (২২) ও নাহিদ আহামেদের ছেলে মো: নাইম আহাম্মেদ (২৪)।
মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে রাজপাড়া থানার শেষমাথা গ্রামে কয়েকজন দুস্কৃতিকারী দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। আরএমপি’র বিশেষ টিম তৎক্ষণাৎ ঐ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করলে অপরাধীরা দৌড়ে রাজপাড়া থানার বহরমপুর শেষমাথা গ্রামের মো: সালমানের বসতবাড়ির ছাদে গিয়ে লুকানোর চেষ্টা করে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনসহ ঐ ছাদ ঘেরাও করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আলামিন (২৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন কৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় সালমানের হেফাজত থেকে ১৫ ইঞ্চি লম্বা ১টি লোহার তৈরি চাকু, বাঁধনের হেফাজত থেকে ২৮ ইঞ্চি লম্বা হাসুয়া উদ্ধার ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎের হেফাজত থেকে ২৪ ইঞ্চি লম্বা চেইন রিং গিয়ার; আ: রহিমের হেফাজত থেকে ১৯ ইঞ্চি লম্বা চেইন রিং গিয়ার ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি নাইমের হেফাজত থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একইসাথে পলাতক আসামি আলামিনের ফেলে যাওয়া ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্যে যে গ্রেপ্তারকৃত আসামি সালমানের বিরুদ্ধে আরএমপি’র রাজপাড়া থানায় ৩টি মাদক, ১টি পেনাল কোড ও ১টি দ্রুত বিচার আইনে মামলা রয়েছে। এছাড়া আসামি বিদ্যুৎের বিরুদ্ধে দামকুড়া ও শাহমখদুম থানায় পৃথক ২টি জিআর মামলা রয়েছে।
আবু হেনা মোস্তফা জামান